আইন

রামিসা হত্যা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে অ্যাটর্নি জেনারেলের দ্বারস্থ বাবা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারের মামলার অগ্রগতি জানতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে গিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, গত ২১ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসার বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত তদন্ত শেষ করে বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছিলেন। পরে ৭ জুন দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় ঢাকার আদালত মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য রয়েছে। মামলার সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে রামিসার বাবা অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল শিশু রামিসার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া নিজস্ব আইনগত গতিতে এগিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ ভবনের পাশের একটি ফ্ল্যাটে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

২১ মে আসামি সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে তাকে ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

২৫ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

এরপর ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন।

সন্ধানী বার্তা/এমএসআইপি 


সম্পর্কিত খবর