জাতীয়

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সমন্বিত কূটনীতিতে জোর, কৌশলগত জোট গঠনে গুরুত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটিয়ে মিয়ানমারের নাগরিকদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও আঞ্চলিক অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক যোগাযোগের বহুমুখী পথ অনুসন্ধানের পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টাও গুরুত্ব পাচ্ছে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক সহায়তার বিষয় হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সমাধানের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হচ্ছে।

  • চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় সমাধানের প্রত্যাশা
  • একক প্রচেষ্টায় স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়, প্রয়োজন সমন্বিত কূটনীতি
  • রাখাইনের পরিবর্তিত বাস্তবতায় বহুমুখী যোগাযোগের পথে এগোচ্ছে সরকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী রবিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকার হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ‘ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ (এফএসডিএস)-এর উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের পথ—টেকসই প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী আঞ্চলিক সমাধানের অভিমুখ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর (অব.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ।

একক প্রচেষ্টার বাইরে আঞ্চলিক জোটের প্রয়োজন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য কেবল বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; বরং চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ, জাপানসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে নিয়ে একটি কৌশলগত আঞ্চলিক জোট ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়িত্ব বিবেচনায় মন্ত্রীর এই বক্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু প্রত্যাবাসনের উপযোগী রাজনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও মানবিক পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় সংকটের স্থায়ী সমাধান এখনো সম্ভব হয়নি। এ বাস্তবতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে চীন, জাপান, আসিয়ান ও জাতিসংঘের মতো পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা গেলে প্রত্যাবাসন প্রশ্নে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা এবং বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর।

জাপানের সহযোগিতায় প্রত্যাবাসন আলোচনায় নতুন গতি
মন্ত্রী বলেন, অতি সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন (রিকনসিলিয়েশন) সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়া বাংলাদেশ সফর করেছেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ও তিনি নিজে তার সাথে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং জাপান সরকার এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়া, এ মাসের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কথা রয়েছে, যেখানে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। জাপানের এই সম্পৃক্ততা প্রত্যাবাসন প্রশ্নে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সম্প্রসারণের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কার্যকর উদ্যোগে রূপ দিতে পারলে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আলোচনার ধারাবাহিকতা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্ব এবং বাস্তব অগ্রগতির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রাখাইনের বাস্তবতায় বহুমুখী কূটনৈতিক যোগাযোগ
রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে আইনি (ডি জুরে) সরকারের পাশাপাশি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ নানামুখী কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। তবে শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনই মূল লক্ষ্য এবং চূড়ান্ত বিকল্প হিসেবে সকল পথ উন্মুক্ত রেখেই বাংলাদেশ কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখবে।

রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে। সেখানে কারা কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কেবল আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ অনুসন্ধান করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সংকট ব্যবস্থাপনা থেকে কৌশলগত কূটনীতিতে যাওয়ার আহ্বান
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল একটি মানবিক সমস্যা বা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এটি জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বিগত দশকগুলোতে এই সংকটের বহুমুখী জটিলতা ও মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আমাদের এখন সংকট ব্যবস্থাপনা থেকে কৌশলগত কূটনীতি, অস্থায়ী ত্রাণ সহায়তা থেকে টেকসই প্রত্যাবাসন এবং খণ্ডিত উদ্যোগের পরিবর্তে একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশলের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এছাড়া, রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টার বক্তব্যে সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। মানবিক সহায়তা বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবন রক্ষায় অপরিহার্য হলেও তা স্থায়ী প্রত্যাবাসনের বিকল্প নয়। তাই মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের রাজনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও অধিকারসংক্রান্ত শর্ত পূরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জাতীয় স্বার্থ, মানবিক দায়িত্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলোকে একই কৌশলের আওতায় আনতে পারলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সুযোগ কাজে লাগানোর প্রত্যাশা
সেমিনারের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘে এই বছর সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রত্যাবাসন ইস্যুটি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ বের করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের এই সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশের কৌশলগত স্বার্থ ও অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং মানবিক বিপর্যয়ের অবসানকে অভিন্ন আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতাকে কার্যকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারলে প্রত্যাবাসন প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও গতিশীল হতে পারে।

তিন প্রবন্ধে প্রত্যাবাসনের বহুমাত্রিক পথ
সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। প্রথম প্রবন্ধে মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তিত বাস্তবতায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোকপাত করেন অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আলী আশরাফ। দ্বিতীয় প্রবন্ধে রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও প্রত্যাবাসনবিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শাহাব এনাম খান। তৃতীয় প্রবন্ধে আঞ্চলিক কূটনীতি এবং বাংলাদেশের কৌশলগত পথসমূহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাফায়াত আহমদ, পিএইচডি (অব.)।

উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, প্রত্যাবাসন কেবল মানুষদের শারীরিক পুনর্বাসন নয়; বরং ফেরত যাওয়া নাগরিকদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, বাসস্থান, জীবিকা ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা তৈরির মতো অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই টেকসই সমাধানের মূল চাবিকাঠি।

এই আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রত্যাবাসনের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলোও সামনে এসেছে। নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়; সেখানে নিরাপদ বসবাস, নাগরিক অধিকার, জীবিকা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক নিশ্চিত করাও জরুরি। এসব বিষয়কে প্রত্যাবাসন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখা গেলে ফিরে যাওয়া মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সম্ভাবনা বাড়বে। সেমিনারে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কূটনৈতিক অঙ্গীকারকে বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ দেওয়া। আঞ্চলিক শক্তি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া গেলে দীর্ঘদিনের এই সংকট নিরসনের পথ সুগম হতে পারে। নিরাপত্তা, মানবিক অধিকার ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগই এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।

সন্ধানী বার্তা/এমএএএমকে


সম্পর্কিত খবর