অর্থনীতি

কৃষি মৌসুমে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২১০৬ কোটি টাকার সার কেনার অনুমোদন

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ১০৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সার কেনার ছয়টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আরও ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া কেনা হবে। পাশাপাশি মরক্কো থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি ও ৭০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে।

কাফকো থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া কিনতে ব্যয় হবে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ৩১২ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৪৩৮ দশমিক ১২৫ মার্কিন ডলার।

সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া আমদানিতে ব্যয় হবে ২২৮ কোটি ৮৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৪০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৪৬৩ দশমিক ১৭ মার্কিন ডলার।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব-ইউএই থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া আমদানিতে ব্যয় হবে ২৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৫৪৫ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, মরক্কোর এস এ ওসিপি নিউট্রিক্রপসের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) জিটুজি চুক্তির আওতায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি করা হবে। ৪০ হাজার মেট্রিক টনের প্রতিটি লটে ব্যয় হবে ৪৩৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপির দাম ৮৭৭ মার্কিন ডলার।

এ ছাড়া ৩০ হাজার মেট্রিক টন ও ৪০ হাজার মেট্রিক টনের দুটি লটে মোট ৭০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। প্রথম লটে ব্যয় হবে ২৪৭ কোটি ৬৭ লাখ ২১ হাজার ৮৬৫ টাকা এবং দ্বিতীয় লটে ৩৩০ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার ৮২০ টাকা। উভয় লটেই প্রতি মেট্রিক টন টিএসপির দাম ৬৬৭ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।

সরকারের অনুমোদিত এসব প্রস্তাবের মাধ্যমে কৃষি মৌসুমে সারের প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সন্ধানী বার্তা/এএইচ/এমএসআইপি 


সম্পর্কিত খবর