দেশজুড়ে

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সংকটে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

দেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলোর অন্যতম মৃৎশিল্প। একসময় গ্রামবাংলার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি নানা সামগ্রীর ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিকতার প্রভাবে এ শিল্প এখন নানা সংকটে পড়েছে। কাজের অভাব, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পণ্যের বাজার সংকুচিত হওয়ায় অনেক মৃৎশিল্পী পেশা পরিবর্তনের কথা ভাবছেন।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সহায়তা পেলে তারা নতুন করে আশাবাদী হতে পারেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকেও এ পেশায় ধরে রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা।

মৃৎশিল্পীদের ভাষ্য, বর্তমানে অনেকেই নিয়মিত কাজ পান না। ফলে মাটির তৈরি পণ্য উৎপাদন করে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা না থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি মৃৎপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব জানিয়েছেন, মৃৎশিল্পীদের জন্য সরাসরি সরকারি সহযোগিতার সুযোগ নেই। তবে বিভিন্ন সমিতি ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

স্থানীয় মৃৎশিল্পীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিত উদ্যোগ নিলে হারিয়ে যেতে বসা এ ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে আবারও ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

সন্ধানী বার্তা/এম/এসআইপি 


সম্পর্কিত খবর