আইইএ’র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল প্যারিসে এক ভাষণে বলেন, এটি একটি বড় পদক্ষেপ যা তাৎক্ষণিক সংকট লাঘবে সাহায্য করবে। তবে বাজার স্থিতিশীল করতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া সবচেয়ে জরুরি।
এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে ‘১ লিটার তেলও’ পার হতে দেবে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘের ত্রাণ প্রধান টম ফ্লেচার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ বিপদ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই অচলাবস্থার কারণে সাব-সহারা আফ্রিকার মতো অঞ্চলগুলোতে জরুরি খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না।