জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে হংকংয়ের সঙ্গে চুক্তি

অর্থপাচারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে হংকংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে অপরাধ তদন্ত, তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। সোমবার (২ নভেম্বর) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

চুক্তিটি বন্দি বিনিময় বা প্রত্যর্পণের নয়
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, চুক্তিটির নাম ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স এগ্রিমেন্ট ইন ক্রিমিনাল ম্যাটারস’। এটি বন্দি বিনিময় কিংবা অপরাধী প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি নয়। বরং বিভিন্ন অপরাধের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ায় পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করাই এ চুক্তির মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কোনো অপরাধী অপরাধ সংঘটনের পর হংকংয়ে পালিয়ে গেলে বা সেখানে অবস্থান করলে এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ হংকংয়ের কাছে আইনি সহায়তা চাইতে পারবে।

অর্থপাচার তদন্তে বাড়বে সহযোগিতার সুযোগ
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচারসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে চুক্তিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে অপরাধ তদন্তের প্রয়োজনে দুই পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক আইনি সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে।

চীনের পাশাপাশি হংকংয়ের সঙ্গে আলাদা চুক্তি
নাসিমুল গনি বলেন, হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল। তবে এর বিচারব্যবস্থা ও আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়া ভিন্ন হওয়ায় চীনের পাশাপাশি হংকংয়ের সঙ্গেও আলাদাভাবে এ চুক্তি করা হচ্ছে। চুক্তিটি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে বাংলাদেশের সঙ্গে হংকংয়ের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সন্ধানী বার্তা/এসকে/এমএসআইপি


সম্পর্কিত খবর