জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর দামের বড় পার্থক্য তৈরি হলে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে বিকল্প না থাকায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল হলে আবারও দাম সমন্বয় করা হবে।
তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তখন প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতের সমালোচনা করেন। তিনি দলটিকে বিরোধী দল থেকে ‘জালিমে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এবং আওয়ামী লীগের মতো ‘ফ্যাসিবাদী আচরণ’ করার অভিযোগ তোলেন। তার ভাষ্য, এর জবাব জনগণ দেবে।
সন্ধানী বার্তা/আরডি/এমডিএইচ