বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিউল দূতাবাসে আয়োজিত এই বৈঠকে কোরিয়ায় অবস্থানরত এবং আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম-ইপিএস সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইপিএস কোটার তুলনায় নিয়োগ কম হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী দীর্ঘ সময় ধরে ইপিএস রোস্টারে অপেক্ষমাণ রয়েছেন এবং অনেকেই বৈধ উপায়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নিজেদের প্রস্তুত করছেন।
আলোচনায় উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশি কর্মীদের কোরিয়ান ভাষায় দক্ষতা আরও উন্নত করা, কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা, কোরিয়ার আইন-কানুন ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং একই কর্মস্থলে দীর্ঘমেয়াদে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। এ সময় এইচআরডি কোরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন যে, কর্মী নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মূলত কোরিয়ান নিয়োগদাতাদের হাতে ন্যস্ত থাকে, তাই বাংলাদেশি কর্মীদের ইতিবাচক সুনাম, ভাষাগত যোগ্যতা এবং পেশাগত দক্ষতা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
রাষ্ট্রদূত এইচআরডি কোরিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন যে, সম্ভাব্য প্রবাসগামী বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, বিশেষত ভাষা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের পূর্বপ্রস্তুতি জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
সন্ধানী বার্তা/জেএন