
রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল ও ইসলামী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাদ মাগরিব মরহুমের ধানমন্ডির ‘মাহবুব ভবনে’ তার পরিবারের পক্ষ থেকে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শহীদ মাহবুব আলী খানের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, শহীদ মাহবুব আলী খানের নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তনয়া ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ মরহুমের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন এই মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া, দোয়া মাহফিল ও ইসলামী আলোচনায় জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সামরিক- বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মরহুমের পরিবারের সদস্যগণ ও আত্মীয়-স্বজনরা অংশ নেন এতে।
এ সময় শহীদ রিয়ার এডমিরাল মাহবুব আলী খানের জীবন ও কর্মের উপর আলোকপাত করেন দেশের বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদগণ।
পরে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেও মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শশুর। সকালে বনানী সামরিক কবরাস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত করেন তার পরিবারের সদস্যরা।
পরে নৌ বাহিনীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মরুহমের কবরে পুস্পমাল্য অর্পন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ১৯৭৯ সালে মাহবুব আলী খান নৌ বাহিনীর দায়িত্ব পান। পরে তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট মাহবুব আলী খান মারা যান। তাকে বনানী সামরিক কবরাস্থানে সমাহিত করা হয়।
সন্ধানী বার্তা/আরডি/এমডিএইচ





