বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকলে সংকট থাকবে। আমরা স্পট মার্কেটে কেনাকাটার চেষ্টা করছি, কিন্তু প্রত্যাশিত সাড়া পাচ্ছি না।
লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনও নির্দিষ্ট কোনো শিডিউল ঘোষণা করা হয়নি। তবে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইফতার, তারাবি ও সেহরির সময় লোডশেডিং না রাখার চেষ্টা থাকবে বলে জানান তিনি।
মার্চে পরিস্থিতি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটির পর বিদ্যুতের চাহিদা কমে এলে বড় ধরনের সংকট থাকবে না। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির অবনতি হলে তার কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
আর সরকার ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা যে সম্ভব সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সন্ধানী বার্তা/জেএন