বিনোদন

‘রামলীলা’র আগে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গালাগাল দিয়েছিলেন দীপিকা, জানালেন জয়তী ভাটিয়া

বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই মার্জিত ব্যক্তিত্ব ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি। তবে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘গোলিয়োঁ কি রাসলীলা রাম-লীলা’ ছবির শুটিং শুরুর আগে চরিত্রের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিজের স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অনুশীলন করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী ও অভিনয় প্রশিক্ষক জয়তী ভাটিয়া।

জয়তী ভাটিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রাম-লীলা’ ছবিতে অভিনয়ের আগে দীপিকাকে চরিত্রের জন্য প্রস্তুত করার দায়িত্ব ছিল তার ওপর। উদ্দেশ্য ছিল অভিনেত্রীর স্বাভাবিক লাজুক ও সংযত ব্যক্তিত্বের গণ্ডি ভেঙে তাকে আরও সাহসী ও স্বতঃস্ফূর্ত করে তোলা। এ জন্য পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির নির্দেশনায় সাত দিনের একটি বিশেষ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

ওয়ার্কশপের একটি অনুশীলনে দীপিকাকে বানসালির অফিসের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কোনো ধরনের সংকোচ না রেখে জোরে জোরে গালাগাল দিতে বলা হয়। জয়তী জানান, শুরুতে কিছুটা দ্বিধা থাকলেও পরে দীপিকা নিজেকে পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেন।

জয়তী ভাটিয়া বলেন, “আমি যেখানে থামতে বলেছিলাম, দীপিকা সেখানে থামেনি। এমন সব গালাগাল দিতে শুরু করেছিল, যা আমি জীবনে কখনো শুনিনি। মনে হয়েছিল, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সব ক্ষোভ এক মুহূর্তে বেরিয়ে এসেছে। আমি শুধু মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম।”

তিনি আরও জানান, ওয়ার্কশপ চলাকালেই তার মনে হয়েছিল ‘ককটেল’ ছবির সাফল্যের পর দীপিকা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী ও নির্ভীক হয়ে উঠেছেন। তাই নির্ধারিত সাত দিনের পরিবর্তে চার দিনেই প্রশিক্ষণ শেষ করে শুটিং শুরু করার পরামর্শ দেন তিনি।

জয়তী ভাটিয়া আরও দাবি করেন, ওই সময় দীপিকা ব্যক্তিগত জীবনে তীব্র মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন)-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে সেই কঠিন সময়ের কোনো প্রভাব তিনি কাজের জায়গায় পড়তে দেননি। বরং পুরো শুটিংজুড়েই পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এই বলিউড তারকা।

সন্ধানী বার্তা/এসএ

 


সম্পর্কিত খবর