দেশজুড়ে

জামায়াতের এমপিদের আসনেই কৃত্রিম সার সংকট: মীর শাহে আলম

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন—এমন আসনগুলোতেই কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম সফরে গিয়ে জেলা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেসব এলাকায় সারের সংকট হয়নি এবং সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি। তাঁর দাবি, জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এমন এলাকাগুলোতেই পরিকল্পিতভাবে সারের সংকট তৈরি করে আন্দোলন করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সার সংকট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, যে সময়ে সার সংকটের কথা বলা হয়েছিল, তখন কোথাও প্রকৃত সংকট ছিল না। তাঁর অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল এবং আগের সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া কিছু ডিলার জড়িত ছিলেন।

সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অনিয়ম রোধে সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে নতুন সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের চাহিদার তুলনায় দেড়গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল নিয়ে বিরোধী দলের কর্মসূচির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির নাম ‘লং মার্চ’ না হয়ে ‘রোড মার্চ’ হওয়া উচিত ছিল। তাঁর ভাষ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমস্যা সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সন্ধানী বার্তা/ডিএইচ/এমএসআইপি 


সম্পর্কিত খবর