বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যারা অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছেন, সেসব বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দফতরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘যারা অস্ত্রের লাইসেন্স পেয়েছে, তারা এটার উপযুক্ত কি না, সেটা যাচাই করা হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশে যারা লাইসেন্স পেয়েছে, সেগুলো বাতিল করা হবে। এসব লাইসেন্সের অধীনে অস্ত্র থাকলে সেগুলোও বাতিল হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যেসব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা আবারও ভেরিফাই করব। সেগুলো যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখব। আমরা আশা করি, এটা দ্রুততার সঙ্গে করতে পারব।’
জুলাই বিপ্লবের সময়ে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার জানা মতে ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। সেগুলো এখন অবৈধ। এগুলো নিয়ে মামলা হতে পারে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় এগুলো উদ্ধার হবে।’
এসময় মন্ত্রী জানান, পুলিশ বাহিনীতে জরুরি ভিত্তিতে খুব শিগগিরই ২ হাজার ৭০০ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন দ্রুত শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পরিচালনা করা।’
এদিকে একই দিন এক ক্ষুদে বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবৎ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ১০০৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত ওই বার্তায় আরও বলা হয়, বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি ও ভিন্নমত দমনের জন্য মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।
সন্ধানী বার্তা/জেএন