রাজধানীর বাজারে সবজির দামে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। একই ধরনের সবজির মধ্যেও সরবরাহ ও বিক্রয়স্থলভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে গোল বেগুনের তুলনায় কম দামে বিক্রি হচ্ছে লম্বা বেগুন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুর, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়ার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। অন্যদিকে লম্বা বেগুনের দাম ১০০ টাকা কেজি।
বাজারে প্রতি কেজি পটল ৭০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, কচুর লতি ও ঝিঙা ৮০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট আকারের ফুলকপি প্রতিটি ৭০ টাকা ও পেঁপে ৩০ টাকা দরে মিলছে।
এ ছাড়া করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা এবং বরবটি ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম ২০০ টাকা কেজি। প্রতি পিস লাউ ৭০ টাকা, জালি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বেশি দামের চাপে ক্রেতারা
ক্রেতারা বলছেন, কয়েকটি সবজির দাম বেশি থাকায় বাজারের মোট খরচ কমছে না। বিশেষ করে শিম, গোল বেগুন ও গাজরের মতো সবজির দাম বেশি হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষেরা প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি কিনতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। তাই অনেকেই তুলনামূলক কম দামের সবজি কিনে প্রয়োজন মেটাচ্ছেন।
মিরপুর কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা সাজেদুল ইসলাম বলেন, সবজির দাম একেকটির একেক রকম। লম্বা বেগুনের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় সেটিই কিনছেন। তবে শিম, গোল বেগুন ও গাজরের মতো কয়েকটি সবজির দাম বেশি হওয়ায় সব মিলিয়ে বাজার খরচ কমছে না।
সরবরাহের ওপর নির্ভর করছে দাম
বিক্রেতারা জানান, সবজির দাম মূলত সরবরাহ ও আড়তদরের ওপর নির্ভর করে প্রতিদিনই কিছুটা ওঠানামা করে। কোনো সবজির সরবরাহ কম থাকলে তার দাম বেড়ে যায়। আবার সরবরাহ বাড়লে দামও কিছুটা কমে আসে।
একই বাজারে একই সবজির ক্ষেত্রেও বিক্রয়স্থলভেদে দামের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বাজারের ভেতরের দোকানের তুলনায় রাস্তার পাশের ভ্যানের বিক্রেতাদের কাছে কিছু সবজি বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সন্ধানী বার্তা/এমএসআইপি