দেশজুড়ে

ছাদজুড়ে কাশবন-আগাছা, বেহাল ভাওরখোলা ইউপি ভবন

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভবনের ছাদে গজিয়ে উঠেছে কাশবন ও নানা ধরনের আগাছা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভবনটি ভবিষ্যতে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ছাদের বিভিন্ন অংশে বড় বড় কাশগাছ ও আগাছা জন্মেছে। ছাদে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা। ভবনের দেয়ালের পাশেও পড়ে রয়েছে গাছের বড় বড় ডালপালা। এতে ভবনের দেয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুধু ছাদ নয়, পরিষদের স্যানিটেশন ব্যবস্থার অবস্থাও অপরিচ্ছন্ন বলে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

পরিষদে সেবা নিতে আসা আলগী গ্রামের শফিক বলেন, ‘এখানে যারা বসে অফিস করেন, তাদের বুঝি ছাদের দিকে তাকানোর সময় নেই। নিজের বাড়ি হলে এমন আজেবাজে গাছ তো দূরের কথা, ছাদের ওপর একটি দুর্বল ঘাসও থাকতে দিতেন না।’

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা নাজমুলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের অভিযোগ, অনেক সময় তাকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে পাওয়া যায় না। এছাড়া ওয়ারিশ সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

ইউপি ভবনের দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গ্রাম পুলিশ পাঠাচ্ছি, তারা গিয়ে দেখে আসবে। নিউজ করার দরকার নেই।’

স্থানীয়রা দ্রুত ইউপি ভবনের ছাদ ও আশপাশ পরিষ্কার করে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের করা অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

সন্ধানী বার্তা/ডিএইচ/এমএসআইপি


সম্পর্কিত খবর